ঢাকামঙ্গলবার, ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অদৃশ্য শক্তি আর দুর্নীতির কঠোর মেল বন্ধনে চলছে চাঁদপুর রেলওয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ (পর্ব-১)

নিজস্ব প্রতিবেদন
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৩ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চাঁদপুর রেলওয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ চলছে স্থানীয়দের ক্ষমতার দাপটে সরকারি বাসা-বাড়ি ও বিদ্যুৎ বিক্রির বানিজ‍‍্য। এছাড়া ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) হারুন চাঁদপুর নিজ দপ্তরে অফিস করেন সপ্তাহে মাত্র ২/১ দিন। জানা যায়, তিনি লাকসাম রেলওয়ে বিদ‍্যুৎ অফিসে দায়িত্ব পালন করা কালে এমন সব দুর্নীতি করার কারণে তাকে চাঁদপুরে বদলী করা হয়। চাঁদপুর রেলওয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ সিন্ডিকেট ব্যাবসার মাধ্যমে এ চক্রটি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

রেলওয়ের সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর রেলওয়ের সর্ব মোট কোয়ার্টার প্রায় ৪৫০টি। তারমধ্যে রেলওয়েতে কর্মরত কর্মচারিদের নিকট বরাদ্দ আছে মাত্র ৩০টি কোয়ার্টার। বহিরাগতদের দখলে ৩২০টি কোয়ার্টার। বাকী কোয়ার্টার গুলো রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগকে ম‍্যানেজ করে (ডেমিজ) দেখিয়ে, মিটার রিডার মালেক, খালাসী জালাল এবং সেকান্দর সহ সিন্ডিকেট করে একে একে রেলওয়ের বাসাগুলো দখল করে কর্তৃপক্ষকে ঘুমে রেখে ডেমিজকৃত কোয়ার্টার নাম দিয়ে ৬০/৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের কাছে বিক্রি করেছেন।

জানা যায়, চাঁদপুরের ইলেকট্রিক খালাসী ফারুকের কাছে, মালেক (বিদ্যুত মিটার রিডার) ১০হাজার টাকায় একটি কোয়ার্টার বিক্রি করেছিল। পরবর্তীতে খালাসী ফারুক ঢাকায় বদলী হয়ে যাওয়ার সময় পুনরায় বাসাটি মিটার রিডার মালেকের নিকট আবারও ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। এই সংক্রান্ত অডিও ক্লিপ প্রতিবেদকের মোবাইলে রেকর্ড রয়েছে।

রেলের বাসা বিক্রির সত‍্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে চাঁদপুর রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগে দায়িত্বরত ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (আইডব্লিউ) মো.লিমনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ের এক কর্মচারী জানান, বিক্রয়কৃত কোয়ার্টার গুলোর প্রতিটিতেই রেলওেয়ের অবৈধ বিদ্যুৎ/পানি সংযোগ রয়েছে এবং প্রতিটি কোয়ার্টারের অধিকাংশ কোয়াটারেই বৈদ‍্যুতিক হিটার জ্বালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

চাঁদপুর রেলওয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের স্টাফদের ঘরেও বৈদ‍্যুতিক হিটার জ্বালানো হয়। সেন্ডিকেটের চাপে ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) হারুন কোনো ধরনের ব‍্যবস্থা নিতে পারেন না। প্রতিটি কোয়ার্টার থেকে ঐ সেন্ডিকেট মাসিক ৫০০/৬০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করে নেন। প্রতি মাসে আনুমানিক এক লক্ষ টাকা ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ‍্যুৎ) হারুন সহ সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ বাটোয়ারা করে নেন। ইনচার্জ হারুন অনেক সময় নিজে গিয়েও বাসাবাড়ি হতে টাকা তুলে আনেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিন্ডিকেটদের হাতে বিদ‍্যুৎ বিল দেওয়া একভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড এই প্রতিবেদক এর নিকট রক্ষিত আছে।
সিন্ডিকেটের লোকদের কথার বাহিরে হারুন কোন কথা বা ক্ষমতা দেখাইতে পারেন না। সেকান্দর এবং মিটার রিডার মালেকের পরামর্শে হারুন অফিস পরিচালনা করেন। এ সিন্ডিকেটের আরেক হোতা খালাসী সেকান্দর, সে কখনোই আবেদনের মাধ্যমে ছুটি ভোগ করেন না। ছুটি ভোগ করার পর অফিসে এসে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দিন গুলোসহ সব গুলো খালী ঘর ক্রমান্বয়ে স্বাক্ষর করেন এবং ট্রাভেল এলাউয়েন্স (টিএ) যারা লাইন করেন তাদের চেয়েও বেশি (টিএ) বিল গ্রহন করেন।

সেকান্দর প্রতিদিন ডিউটি করেন পাম্প হাউজে তাও রাত্রে দুই ঘন্টা। দুই ঘন্টা পাম্পে ডিউটি করে ট্রাভেল এলাউয়েন্স (টিএ) ভোগ করেন প্রতিমাসে ৪শত টাকা হারে ১৫ দিনে ৬হাজার টাকা। “ট্রাভেল এলাউয়েন্স (টিএ) সরকারি নীতিমালা ‘২০১৬ তে’বলা হয়েছে যে, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি কাজে কোথাও গেলে, ট্রেনিং বা বদলী জনিত কারণে ভ্রমন ভাতা বিলের মাধ্যমে জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড অনুযায়ী ব‍্যায়কৃত অর্থ গ্রহণ করে থাকে”। হারুন নিজেই সেকান্দর কে খুশী করার জন্য এই সুবিধা দিয়ে রেখেছেন। প্রকৌশলী বিদ‍্যুৎ হারুন, সবাইকে অবহিত করেন যে, সেকান্দর দিনের ১১/১২ টার আগে সে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না তাই তাকে অন্য কোন কাজের জন্য তোমরা কোন ধরনের চাপ প্রয়োগ করবে না।

সেকান্দারের স্থানীয় দাপট ও প্রভাবের ভয়ে হারুন সবসময় আতংঙ্কিত থাকেন। তাদের (সিন্ডিকেট) বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তুললে, বাকী কর্মচারিদের বিরুদ্ধে আইনের খর্গ নেমে আসে। হারুন নিজেও তাদের পক্ষ নিয়ে কর্মচারিদের শাষনের মাঝে রাখেন এমনকি রীতিমতো ডিইই চট্টগ্রাম শাকের আহমেদ এর ভয় দেখান। সিন্ডিকেটের লোকরা স্টাফদের সাথে অত্যন্ত খারাপ এবং উশৃংখল আচরন করেন।হিজরাদের কে দিয়ে অপমান অপদস্ত করাবেন বলে হুমকি দেন ।

মালেক, জালাল এবং সেকান্দর তাদের প্রত্যেকের বাড়ি চাঁদপুরে হওয়ায় এখানে তারা রাম রাজত্ব করছেন। সব সময় তারা এলাকার দাপট বিস্তার করেন । তাঁরা কোন কাজ না করেই সরকারি বেতন ভাতা নিচ্ছেন বলে রেলওয়ের একাধিক সূত্র থেকে জানা যায় । নিজেরা কাজ না করে বাকী অন্যান্য খালাসীদের কে দিয়ে সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ করিয়ে থাকেন। না পারলে, হারুন ডিইই’র নিকট অভিযোগ করবেন বলে হুমকি দেন।

দখলকৃত বাসা গুলোর মহিলারা প্রায় সময় সকাল ১০ টা ১১টায় বিদ্যুত অফিসে এসে মালেক ,জালাল এবং সেকান্দরের সাথে সময় কাটান। হাসি- ঠাট্টা, মসকারী করেন। চা-নাস্তা খান। তখন অফিসে সকল কামচারীদের প্রবেশ নিষেধ করা হয়। চাঁদপুরে সিনিয়র কোন লাইন ম‍্যান নেই। শুধুমাত্র পাঁচজন ইলেকট্রিক খালাসী দিয়ে সাবষ্টেশন চালানো হচ্ছে। চাঁদপুর স্থানীয় স্টাফের ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় স্টাফের মধ্যে যারা আছে মিটার রিডার মালেক এবং খালাসী সেকেন্দার ও জালাল । তাদের সঙ্গে যুক্ত আছে খালাসী বাসির।

অফিস পুরোপুরি মেইনটেন করে খালাসী সেকেন্দার। কেউ ছুটি চাইলে ছুটির অনুমতি তার থেকে নিতে হয়। ছুটি নাই বলে তিনি কাগজে নোটিশ আকারে লিখে অর্ডার দিয়ে থাকে তাও ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিদ‍্যুৎ হারুনুরের সামনে। (খালাসী সেকেন্দারের হাতে লিখা নোটিশটি এই প্রতিবেদক এর কাছে রক্ষিত আছে)। রীতিমত হারুন, মালেক, সেকেন্দার, জালাল এদের কাছে অন‍্যান কর্মচারীরা জিম্মি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন পুরো বিষয়টি অস্কীকার করেন। মিটার রিডার মালেকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ৩০ টি কোয়াটার বরাদ্দ না ৫০ টি বরাদ্ধ দেয়া আছে। তবে কেউ হিটার চুলা ব্যবহার করেনা।

১৪নং কোয়াটারে ১১টি, ১০নং কোয়াটারে ১৫টি, মালি কলোনি কোয়াটারে ৩টি, কাঁচা কলোনিতে ১টি, বাংলো সংলগ্ন কোয়াটারে ২ টি, সুইপার কলোনিতে ৪ টি, দিঘীর পার কোয়াটারে ৫ টি, জিআরপি কলোনিতে ১০টি সহ ৫১ টি কোয়াটার বরাদ্ধ আছে। রেলের বাসা-বাড়ি বিক্রি সম্পর্কে জিঙ্গেস করলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে গিয়ে বলেন, আমি এসব কাজে জড়িত না। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। আমার পিছনে কেউ বা শত্রুতা করছে।

এই সময়ে প্রকৌশলী হারুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ক দিন আগে আজকের পত্রিকায় একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আমি এ ধরনের কাজে জড়িত নই। আপনারা আমার স্টাফদের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় বৈদ‍্যুতিক প্রকৌশলী চট্টগ্রাম শাকের আহমেদের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, সারাদেশে রেলওয়েতে জনবল সংকট রয়েছে। যার ফলে চাঁদপুর রেলওয়ে বিদ্যুত বিভাগ খালাসি দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।

চাঁদপুরে রেলওয়ে বিদ্যুতের দায়িত্বে থাকা হারুনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন “বিষয়টি আমি এখন শুনেছি তা যাচাই করে দেখবো। কোয়াটারে হিটার ব্যাবহারের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন এখন কি হিটার ব্যবহার হয় কিনা, যদি হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী বিদ‍্যুৎ হারুন ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে লাকসাম থেকে বদলি হয়ে চাঁদপুরে আসেন। লাকসাম থাকা কালীন অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। যার ফলে তাকে বদলি করা হয়। হারুন চাঁদপুরে আসার পর মিটার রিডার মালেক, খালাসী জালাল ও সেকেন্দারকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট চক্র গড়ে তোলেন। মিটার রিডার মালেক এক জায়গাতেই ১৮ বছর ধরে চাকরি করছেন। সরকারি চাকরি আইনে বলা আছে, একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী তিন বছরের অধিক এক জায়গায় চাকরি করার বিধান না থাকলেও মালেক নিজেই করে যাচ্ছেন একটানা ১৮ বছর।

অন‍্যান খালাসীদের চাকরির বয়স চাঁদপুরেই আট বছর চলমান। তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন কর্মচারী কথা বলতে রাজি নয়। মুখ খুললেই নেমে আসে বিভিন্ন অত‍্যাচার ও নির্যাতন। বিভাগীয় বৈদ‍্যুতিক প্রকৌশলী চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬টি সাব অডিনেটের প্রধান হলো শাকের আহমেদ। এই ৬টি সাব অডিনেট ইনচার্জদের সঙ্গে ডিইই চট্টগ্রাম শাকের আহমেদ আত্বাত করে প্রত‍্যেক সাব অডিনেট হতে মোটা অঙ্কের মাসিক ঘুষ লেনদেন হয় বলে তথ্য রয়েছে। শাকের আহমেদ নিজেও একই চেয়ারে ৮ বছর কর্মরত।

এই সিন্ডিকেট এর কারণে ডিইই শাকের আহমদের কাছে সাধারণ কর্মচারীরা অসহায় ও জিম্মি। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে কর্মচারী মুখ খুলবে তার জীবনে নেমে আসে বদলি, নানান রকম প্রশাসনিক হয়রানি, প্রহসন ও নির্যাতন।

শাকের সিন্ডিকেটের অন‍্যান্য সদস্য হলো সিনিয়র এইই চট্টগ্রাম (বিদ‍্যুৎ) আমির হোসেন, চট্টগ্রাম ট্রেনলাইটিং এর প্রধান দুর্নীতিবাজ ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম, পাহাড়তলী পাওয়ার হাউজ কর্মরত ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী বিটু চাকমা, চাঁদপুর ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন ও ডিইই চট্টগ্রাম দপ্তরে কর্মরত আরেক দুর্নীতিবাজ প্রধান সহকারী কাজী আবু নাছের।
২০০০ সাল থেকে চাঁদপুরে রেলওয়ের বিদ্যুত বিভাগে কোনো অফিস সহকারী নেই।

মিটার রিডার মালেককে দিয়ে প্রশাসনিক অফিসের সব কাজ করানো হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায় হারুন ডিপ্লোমাধারী হলেও তিনি কাজের কোন ড্রইং করতে তেমন পারদর্শী না। লাকসাম থাকাকালীন কাজের ড্রইং করাতেন লাইনম‍্যান সুফিয়ান কে দিয়ে। চাঁদপুর আসার পর ড্রইং এর দায়িত্ব দেওয়া হয় খালাসী সেকেন্দারকে।

জানা যায়,খালাসী সেকেন্দার পড়াশুনায় বিদ‍্যুতের উপর ডিপ্লোমা পযর্ন্ত পড়েছেন। ২০১৫ সালে রেলওয়ে বিদ‍্যুৎ বিভাগে খালাসী পদে নিয়োগ পেয়ে চাঁদপুরে কাজে যোগদান করেন। যার কারণে সেকান্দারকে হাতের মুঠোয় রেখে সাবষ্টেশনের যাবতীয় মেরামতের কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন প্রকৌশলী (বিদ‍্যুৎ) মোহাম্মদ হারুন।

অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া যায় হারুন নিয়মিত অফিস করেন না, প্রতি সপ্তাহে ১/২ দিন তিনি অফিস করেন, যদি অফিসে আসে সেক্ষেত্রে পুরো সপ্তাহের হাজিরা স্বাক্ষর করেন এবং পুরো সপ্তাহে ২/৩ দিন বিভিন্ন ষ্টেশন ভিজিট করেছেন মর্মে হাজিরা খাতায় লাইন দেখিয়ে প্রতিমাসে গড়ে ৮৭৫ টাকা করে মাসিক প্রায় ১৪হাজার টাকা (ট্রাভেল) এলাউন্স টিএ ভোগ করেন।

মিটার রিডার মালেক অফিসে বসেই প্রতিমাসে গড়ে ৭০০ টাকা করে মাসিক প্রায় ১০-১১ হাজার টাকা (ট্রাভেল) এলাউন্স টিএ ভোগ করেন।
হারুনের অনুপস্থিতে অফিসের যাবতীয় দেখভাল করার দায়িত্বে থাকেন মিটার রিডার মালেক ও তার সিন্ডিকেট বাহিনী। এইভাবেই দিনের পর দিন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখরা গুছিয়ে চলছে চাঁদপুর রেলওয়ে বিদ‍্যুৎ বিভাগ।

এই বিষয়ে বিগত দিনেও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হলেও অদৃশ্য শক্তি আর দুর্নীতির কঠোর মেল বন্ধন থাকায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে পিছিয়ে রয়েছে রেল প্রশাসন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।