আলমশাহ পাড়া কামিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র তৌহিদুল ইসলাম জানান, শহীদ মিনার না থাকায় ফুল দিয়ে সম্মান জানাতে পারেনা
এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। তবে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। শহীদ মিনার থাকলে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি
সম্মান জানানো যেত।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু স্বজন কুমার তালুকদার বলেন, ‘বাঙালি চেতনা ও আমাদের জাতিসত্তার প্রথম উন্মেষ ঘটে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। ভাষা আন্দোলনের ৭০ বছর ও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও উপজেলার মাদ্রাসাগুলোতে শহীদ মিনার নেই, এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদনের শর্তের মধ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সরকারি উদ্যোগে সব মাদ্রাসায় শহীদ মিনার স্থাপন করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে অন্তত ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো উচিত। আমরা বিষয়টি শিক্ষা প্রকৌশল
অধিদপ্তরসহ সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গণি ওসমানী বলেন, ভাষা শহীদদের পরিচয় জানতে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রতিটি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা আবশ্যক। যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপনের
ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অতি শিগগির তা বাস্তবায়ন হবে।

