নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের বরণ করতে প্রস্তুত হচ্ছে নগরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। শেষ মুহুর্তে নগরের বেশিরভাগ বিনোদন কেন্দ্রে চলছে ধোয়া মুছা সাফাইয়ের কাজ। প্রতিবছরের মতো এ বছরো দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে রাঙানো হচ্ছে রঙিনভাবে।
ফয়’স লেক এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম আকর্ষণীয় করতে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন পরিচালিত এ চিড়িয়াখানায় ৭৩ প্রজাতির ৬২০টি পশুপাখি রয়েছে। এর মধ্যে নতুন ভাবে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু পশু-পাখি।
চিড়িয়াখানার চিকিৎসক ও ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ জানান , আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি আজকে শেষ হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য নতুন জনবলের নিয়োগ করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সমাগম বেশি হলে অস্থায়ীভাবে ৭ থেকে ৮ জন লোক নিয়োগ হবে। এছাড়াও পুরো চিড়িয়াখানা থাকবে সিসিটিভির ক্যামেরার আওতায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ঈদে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী টিকেট কিনেছিল। এবার এর চেয়ে বেশি দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় শিশুদের জন্য চিড়িয়াখানায় পৃথক কিডস জোন রয়েছে। সেখানে দোলনাসহ বিভিন্ন রাইড রয়েছে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার পাশে অবস্থিত ফয়েস লেক অ্যামোনিউজমেন্ট পার্ক ও ফয়েস লেক সী ওয়ার্ল্ডে চলছে কর্মব্যস্ততা। বিবর্ণ হয়ে পড়া বিভিন্ন রাইডগুলোতে দেওয়া হচ্ছে নতুন রঙের আস্তরণ।
পার্কের পরিচালনাকারী কোম্পানি কনকর্ডের উপ-ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং) বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, গত বছর ঈদের ছুটিতে ফয়েস লেক দর্শনার্থী ভিড় চোখে পড়ার মতো ছিল। এবার ঈদেপার্কে যুক্ত হচ্ছে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে খোলা স্থানে তাবু টানিয়ে রাত্রিযাপনের। এর নাম রাখা হয়েছে ফয়’স লেক বেস্ট ক্যাম্প। এখানে নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীর পাশাপাশি পুরো বিনোদন এলাকায় সিসিটিভির আওতায় রয়েছে। গত বছর ঈদের মোট ১০ দিনে ৫৫ হাজারের মতো দর্শনার্থী প্রবেশ করেছে। এই বছর এই সংখ্যা ডাবল হবে বলে আমি আশা করি।
এদিকে ফুলে ফুলে সেজেছে নগরীর ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়ক মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ডিসি ফ্লাওয়ার পার্কটি। ১৯৪ একর খাস জমি দখলমুক্ত করে এই ফ্লাওয়ার পার্কটি সম্প্রতি গড়ে তোলা হয়েছে। যেখানে শোভা পাচ্ছে শতাধিক রকমের ফুল। এবার ঈদে পার্কটি দর্শনার্থীদের কাছে বেশ নজর কাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়াও প্রস্তুত নগরের পতেঙ্গা এলাকায় অবস্থিত প্রজাপতি পার্ক, কর্ণফুলী নদীর অভয় মিত্র ঘাট, কাজির দেউড়ি শিশু পার্ক, বহদ্দারহাট স্বাধীনতা পার্ক, আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক, আগ্রাবাদ জাতি তাত্ত্বিক জাদুঘর, হালিশহর সাগর পাড়।

