ঢাকাশনিবার, ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘মোখা’র  লক্ষণ নেই কক্সবাজার সৈকতে 

NewsDay 24
মে ১১, ২০২৩ ৯:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এখনও আগের মতই শান্ত
দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় রূপ নিয়েছে। এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, এর প্রভাবে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর থেকে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রধান গতিপথ কক্সবাজার অভিমূখী। কিন্তু এখন পর্যন্ত কক্সবাজারে তার কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অবস্থা স্বাভাবিক লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সমুদ্র এখনও আগের মতোই শান্ত। সৈকতের বালিয়াড়িতে আঁচড়ে পড়ছে না বড় বড় ঢেউ। বাড়েনি পানির উচ্চতাও। সকালে থেকেই কক্সবাজারে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সমুদ্রে নেমে গোসল করতে দেখা গেছে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তার কাজ করা সি সেইফ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার মোহাম্মদ ওসমান জানিয়েছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এখনও গোসলের জন্য নিরাপদ। জেলা প্রশাসন বা সি সেইফ থেকে কোন নির্দেশনা আসলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারের ৫৭৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেখানে ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৯৯০ জন মানুষের ধারণক্ষমতা রয়েছে। এছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য জেলার রিজার্ভে ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ৪৯০ মে.টন চাল, ১৯৪ বান্ডিল ঢেউটিন মজুদ রয়েছে। সেই সাথে নতুন করে কক্সবাজার জেলার জন্যে ১০ লক্ষ নগদ টাকা, ৫০ মেট্রিক টন চাল,৭ মেট্রিক টন শুকনো খাবার বরাদ্দ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খোলা হয়েছে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহিন ইমরান বলেন, ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগেই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক নির্ধারণ, খুব ঝুঁকিপূর্ণ-ঝুঁকিপূর্ণ-কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, পর্যাপ্ত শুকনা খাবার মজুদ রাখা, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা, গবাদী পশু সংরক্ষণ ইত্যাদি দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ইস্যু।
তিনি আরও বলেন,  বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা/ কর্মচারী যাতে দুর্যোগ মুহূর্তে সরকারি ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগ না করেন সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান কর হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।