চট্টগ্রাম-১০ আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।
সোমবার শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলীয় প্রার্থী হিসেবে তার নাম চূড়ান্ত করা হয়।
বাচ্চু চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন তিনি।
তবে বর্ষীয়ান নেতা আফছারুল আমীন সেবার ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিন বারের এমপি, সাবেক মন্ত্রী আফছারুল আমিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ২ জুন মারা যান।
সেই কারণে পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে চট্টগ্রাম-১০ আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। তবে এই নির্বাচনে বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আগ্রহ নেই।
উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী হতে মোট ২৯ জন আগ্রহ দেখিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। তাদের মধ্য থেকে বাচ্চুকে বেছে নেওয়া হল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।
সোমবার গণভবনে বোর্ডের সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চট্টগ্রাম-১০ আসনে মহানগর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন বাচ্চুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।”
এই নির্বাচনে যিনি জিতবেন, তিনি কয়েকমাস এমপি থাকতে পারবেন।
নৌকার প্রার্থী হলে জয়ের আশাবাদ প্রকাশ করে বাচ্চু এর আগে বলেছিলেন, “৪০ বছর ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এলাকার মানুষের সাথে আমার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তারাও আমাকে আস্থা-বিশ্বাসের জায়গায় রাখে। এই বোঝাপড়া পারস্পরিক।”
মনোনয়ন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “জনগণের পাশে ছিলাম, আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।”
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুলাই এই আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে ৪ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৬ জুলাই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ১২ জুলাই পর্যন্ত। পরদিন হবে প্রতীক বরাদ্দ। এরপরই প্রার্থীরা নামবেন প্রচারে।
এদিকে মহিউদ্দিন বাচ্চুর অনুসারীরা খবর পাওয়া মাত্রই নগরীর হালিশহর বি ব্লক বঙ্গবন্ধু পাঠাগারে মিষ্টি বিতরণসহ আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন – এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগের সাবেক প্রভাবশালী নেতা সালেহ আহমেদ দীঘল, স্থানীয় কাউন্সিলর লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াস, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আশফাক, মোঃ সবুজ, মাহবুবুল আলম, মহানগর যুবলীগ নেতা সরোয়ার সাইমন সহ তৃনমুল এর আরো অনেক নেতাকর্মী।

