বাকলিয়া এলাকায় যুবলীগ নেতাসহ ৪জনের বিরুদ্ধে ছিনতাই, মারধরের অভিযোগ এনে থানায় সাধারন ডায়রি ও আদালতে মামলা করেছেন পিকআপ ভ্যান চালক মোঃ সবুজ (২৩) নামের এক যুবক।
ভুক্তভোগী সবুজ জানায়, গত ১৬ নভেম্বর রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় বাকলিয়া থানাধীন বৌ-বাজার খাজা হোটেল এর সামনে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা আবু মোরশেদ (৪২), মোঃ রনি (৩৫), মোঃ মিনহাজ (২৫) ও মোঃ জনি (২৫) পথ আটকিয়ে ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে।
আমি (সবুজ) চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করামাত্রই এলোপাতারি মারধর শুরু করে অভিযুক্তরা। এক পর্যায়ে আমার পকেট থেকে নগদ ২৫হাজার টাকা এবং আমার ব্যবহৃত স্মার্ট মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় তারা। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।
এই ঘটনায় আমি চিকিৎসা সেবা পত্র সহ বাকলিয়া থানায় একটি সাধারন ডায়রি (জিডি) করি এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করেনি পুলিশ প্রশাসন। আমি প্রতিনিয়ত আতংকে দিন কাটাচ্ছি।
তবে এই ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা আবু মোরশেদ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবী করেন এবং অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এই ঘটনার বিষয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আফতাব হোসেন জানায় জিডি হয়েছে জিডির বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায় বাকলিয়া ১৯নং ওয়ার্ডে পদবী না থাকা সত্বেও মোরশেদ নিজেকে যুবলীগ পরিচয় দিয়ে নানা অপরাধ পরিচালনা করে যাচ্ছে। তার সহযোগী হিসেবে রনি অন্যতম। তাদের বিরুদ্ধে সরকারবাদী মামলা থেকে শুরু করে মাদক,প্রতারণা, ছিনতায় সহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

