গাইবান্ধায় গহীন চরে ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ করে প্রশংসায় ভাসছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে অসহায় ভূমিহীনদের জীবনকে প্রাণের সঞ্চার দিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন যেন কল্পতরুর বাস্তব রুপায়ন।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং কাপাসিয়া ইউনিয়নের মূল স্থল থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে চরে উজান বুড়াইল নামক স্থানে গড়ে উঠেছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০ টি ঘর। এ যেন চরাঞ্চলের ভূমিহীন মানুষের বাধভাঙ্গা আনন্দের বিরাজ।
স্থানীয়রা বলছেন, চরাঞ্চলের মধ্যে এমন ঘরের সুন্দর বাস্তবায়ন অনেক কঠিন। নির্মাণকৃত ঘরগুলোতে সঠিক কাজ হওয়ায় ধন্যবাদ জানাই সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে।
রঙ্গিন টিনের বারান্দাসহ আধাপাকা ঘর এবং ঘরের সামনের বড় উঠোনে স্বপ্ন বোনার চেষ্টা করছেন আশ্রয়ণের সুবিধাভোগীরা। নদী বিধৌত কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বারবার ভাঙ্গনের শিকার হয়ে জেগে ওঠা উজান বুড়াইল চরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করে আসছেন অনেক ভূমিহীন পরিবার। তবে সরকারের ঘর পেয়ে অনেকেই নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নের জাল বুনছেন।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল জানান, চরের ঘরগুলো নির্মাণ করতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। চরাঞ্চলের ভূমিহীন,গৃহহীন মানুষের মাঝে সরকারের উপহার পৌঁছে দিতে পেরে আনন্দ লাগতেছে। সরকারের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষ বেজায় খুশী।
সচেতনমহল বলছেন, দুর্গম চরে ঘরের সরঞ্জাম নিয়ে নির্মাণকাজ অনেক ব্যয় বহুল ও কষ্টসাধ্য। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় ঘরগুলোর কাজের গুণগতমান ঠিক রেখে সম্পন্ন করেছেন। যা সত্যি প্রশংসনীয়। আমরা তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

