স্থানীয় সরকারের অংশ হিসেবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছে ইউনিয়ন পরিষদ। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা ও জানমালের উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদের সেবার জুড়ি নেই।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নদীবেষ্টিত ২নং উড়িয়া ইউনিয়নের মানুষের চারিত্রিক/নাগরিকত্ব সনদ প্রদানে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা। শুধু তাই নয় এ উদ্যোগে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবসহ স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা গ্রহণ যেন স্বস্তির বহিঃপ্রকাশ।
সরেজমিনে ২ নং উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, সোহেল রানা নামক জনৈক ব্যক্তির জন্য প্রস্তুতকৃত সনদ পূরণ করছেন চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা। রঙ্গিন কাগজে সেবা গ্রহীতার তথ্য পূরণ করে তৈরি করছেন চারিত্রিক/নাগরিকত্ব সনদ। এতে করে ইউনিয়নবাসীকে সনদ নিতে প্রিন্ট করে বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে না।
স্থানীয়রা বলছেন, আগে চেয়ারম্যানের কাছে একটা নাগরিকত্ব/চারিত্রিক সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে অনেকবার ঘুরতে হয়েছিল। নিজের টাকা দিয়ে কাগজ প্রিন্ট করে নিতে হতো। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান তার নিজ খরচে আমাদের জন্য ফ্রী-তে নাগরিকত্ব/ চারিত্রিক সনদ প্রদান করে সহযোগিতা করছেন। বড় মানসিকতা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। আমরা চাই তিনি বার বার আমাদের সেবার জন্য চেয়ারম্যান হোক।
এক বিশেষ বিবৃতিতে চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা জানান, আমি নিজ খরচে আমার ইউনিয়নবাসীর জন্য চারিত্রিক/ নাগরিকত্ব সনদের ফর্মেট প্রিন্ট আউট করে রেখেছি। কারণ দূর থেকে/ চর থেকে আসা মানুষ সনদ নিতে আসলে দ্রুত যেন তাদের সনদ প্রদান করে সহযোগিতা করতে পারি তাই এমনটা করা। তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। জীবনের বাকীটা সময় তাদের কল্যাণে কাজ করতে পারি এটাই চাওয়া।

