ঢাকাশনিবার, ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাল ভোটের অভিযোগ মাথায় নিয়ে মিরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন “এনায়েত হোসেন নয়ন”

নিজস্ব প্রতিবেদন
মে ৯, ২০২৪ ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মিরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন নয়ন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. সাইফুল ইসলাম এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিত) পদে উম্মে কিলসুম কলি বিজয়ী হয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে এনায়েত হোসেন নয়ন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩৩ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাইফুল ইসলাম চশমা প্রতীকে ৩৮ হাজার ৩ শত ৪৬ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উম্মে কুলসুম কলি ফুটবল প্রতীকে ৩১হাজার ২ শত ৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

এছাড়া চেয়ারম্যান পদে শেখ আতাউর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ২০ হাজার ৭শত ৬৭ ভোট, ফেরদৌস হোসেন আরিফ আনারস প্রতীকে ৩ হাজার ৪ শত ৩৪ ভোট, উত্তম কুমার শর্মা দোয়াত কলম প্রতীকে ৩ হাজার ৩শত ৪৬ ভোট ও মো. মোস্তফা মোটর সাইকেল প্রতীকে ৬শত ৬৫ ভোট পেয়েছেন।

সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইসমত আরা ফেন্সি কলস প্রতীকে ২০ হাজার ৫ শত ৭৭ ভোট ও বিবি কুলছুম পদ্মফুল প্রতীক ৭ হাজার ৬ শত ৭৬ ভোট পেয়েছেন।

এর আগে মিরসরাইয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারসহ তিনজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। উপজেলার উত্তর আমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে তাদের আটক করেন দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে। ওই তিনজন বিকেল ৩টার পর থেকে একজন বিশেষ প্রার্থীর নির্দিষ্ট প্রতীকের ব্যালটে জাল ভোট দিচ্ছিলেন।

আটককৃতরা হলেন— সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার মুক্তি রাণী হাওলাদার, পোলিং অফিসার মুন্নী বড়ুয়া ও সমীর চন্দ্র দাশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই তিন নির্বাচনী কর্মকর্তা ব্যালট পেপারে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনায়েত হোসেন নয়নের কাপ-পিরিচ প্রতীকে জাল ভোট দিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁদেরকে হাতেনাতে আটক করেন দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এছাড়া ধুমঘাট হাজী চাঁন মিঞা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহন শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনায়েত হোসেন নয়ন এর নির্বাচনী ইশতেহার হাতে নিয়ে জাল ভোট প্রদান করার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে ধরা পড়ে এক নারী। পড়ে এনায়েত হোসেন নয়নের সমর্থনকারী পোলিং এজেন্ট ও দায়িত্বরত আনসারদের সহযোগীতায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় ঐ নারী। এই ঘটনার ভিডিও ধারন করায় গণমাধ্যমকর্মীদেরকে নগদ ৩ হাজার টাকা দিয়ে মেনেজ করার চেষ্টা করেন সাইফুল ইসলাম নামে এক পোলিং এজেন্ট। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার ঘটনাস্থলে এসে ভিডিও চিত্র ও সংবাদকর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করেন। (পুরো ঘটনার ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে)

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।