ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগরে আর কিছু দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তাই ঘরে ঘরে দেবী দুর্গার আগমনীর বার্তা। এবার নবীনগরে ১২৭ টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য মূর্তি তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নবীনগরের নারায়ণপুর ও ভোলাচং এর মুৎশিল্পীরা। আগামী ২৮/৯/২৫ ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে এ পূজা এবং ২/১০/২৫ দশমী তিথিত প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ অনুষ্ঠান।
প্রতি বছরের মতো এবার সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী মহালয়া হবে ২৮ সেপ্টেম্বর রোজ রবিবার। তাই ২৮ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে মহাষষ্ঠী তিথিতে হবে বোধন ও ষষ্ঠী বিহিত পূজা। পর দিন ২৯ অক্টোবর মহাসপ্তমী পূজার মাধ্যমে শুরু হবে দুর্গাপূজার মূল অনুষ্ঠান।
৩০ সেপ্টেম্বর মহাঅষ্টমী এবং ১ অক্টোবর মহানবমী পূজা। ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার মহাদশমী বিজয়া দশমী হবে। এ দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই বছরের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপে ঘুরে দেখা যায়- কাদা-মাটি, বাঁশ, খড় দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় গড়ে তোলা দেবীদুর্গার প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্থ সময় পার করছেন প্রতিমা কারিগররা। প্রতিমা তৈরির কারিগর মনেন্দ্র পাল (৫৭) বলেন- প্রতি বছর এ সময় ৫০-৫৫টি পূজা মন্ডপের কাজ করে থাকি, এ বছর মাত্র ৩২টি পূজা মন্ডপের কাজ করছি। এ বছর প্রতিটি প্রতিমার দাম প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে, একই কথা বলেন- বিজয় পাল এবং বিভিন্ন পূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ করতে আসা শিল্পীরা।
নবীনগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব সাংবাদিক সঞ্জয় সাহা বলেন-” এ বছর নবীনগর উপজেলায় ১২৭ টি পূজা মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা পালন করতে প্রশাসন নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সর্বপ্রকার সহযোগিতা করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেন”। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব চৌধুরী জানান-আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত করার লক্ষে কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা আসবে সবাইকে নিয়ে মিটিং করে সেই মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে”।

