বরগুনার তালতলী উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকার করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক মোঃ আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা, উপজেলা আওয়ামীলীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের বিরুদ্ধে। স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন, শিকারকৃত ইলিশ মাছ রিঙ্কুর আড়তে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
জানাগেছে, সোনাকাটা গ্রামের আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবার দুটি ট্রলার শুক্রবার রাতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরন কেন্দ্র থেকে সাগরে যায় এবং ইলিশ শিকার করে। রবিবার দিবাগত রাতে ওই ট্রলার দুটি ঘাটে আসে এবং মাছ ড্রামে ভরে রিঙ্কুর আড়তে রাখা হয়। জেলেরা প্রতিবাদ করলে তারা হুমকি দেয় এবং রাতেই মাছ সরিয়ে নেয়।
মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক আবুল কাসেম রিঙ্কু বলেন, “আমার বাবার ইলিশ আড়ত ব্যবসা আছে। রাজনৈতিকভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।”
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলমও দ্রæত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

