ঢাকারবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা: দুর্নীতির নথি গোপনে ব্যস্ত কাজেম আলী কলেজের পুরনো দোসররা

Shafayet Morshed
অক্টোবর ১৬, ২০২৫ ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব ও দখলের অধীনে ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ সময়ে তৎকালীন সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বিস্তৃত অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর নাগরিক ঐক্যের জেলা সমন্বয়কারী নুরুল আবছার মজুমদার প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রমাণসহ দেখতে পান, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোকে বিভিন্ন প্রস্তাবনার (রেজুলেশন) মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।

নুরুল আবছার জানান, “সরকারি তহবিল ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে এমন আর্থিক অনিয়ম ফ্যাসিস্ট সরকারের দখলদার মানসিকতারই প্রতিফলন।”

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি তদন্তে নেয়। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল তদন্তে অসহযোগিতা করেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে বোর্ডের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বহু অনিয়ম ও আর্থিক তছনছের প্রমাণ মিলেছে।

সরকারের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, পূর্ববর্তী দোসররা নানা ষড়যন্ত্র ও প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা করছে এবং পুরনো দুর্নীতির নথি গোপন করতে তৎপর।

এই প্রেক্ষাপটে আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্বপ্রাপ্ত নুরুল আবছার মজুমদার বলেন, “আমি প্রশাসন, শিক্ষাবোর্ড ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—যেন এই প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত হয় এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়। কাজেম আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে আমরা একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিচালনা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”

স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে ইতোমধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচ

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।