শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের কয়েক মিনিটের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটে।
ভূমিকম্পে হেলে পড়া কসাইটুলির একটি পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে পড়ে। সেই সময় বাজার করতে মায়ের সঙ্গে রাস্তায় থাকা রাফিউল পথচারীদের মতোই রেলিংয়ের নিচে চাপা পড়েন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান। রাফিউলের মা গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভূমিকম্পের সময় পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভবনের রেলিং ভেঙে পড়লে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। তাদের একজন ছিলেন রাফিউল।
বংশাল থানা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রেলিংয়ের নিচে চাপা পড়ে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাফিউলসহ দুজনের মৃত্যু হয়।
রাফিউল ইসলামের রুমমেট আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, রাফিউলের বাড়ি বগুড়ায়। তার বাবা স্থানীয় একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান এবং বড় বোন ঢাকায় থাকেন। পরিবার আশা করেছিল, রাফিউল একদিন ডাক্তার হয়ে তাদের গর্বিত করবে। কিন্তু এক মুহূর্তের ভূমিকম্প সেই স্বপ্ন কেড়ে নিল।

