চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠের সমাবেশস্থলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০ বছর পর চট্টগ্রামের কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিলেন তারেক রহমান। আজ রোববার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সমাবেশস্থলে ঢুকে মঞ্চে না উঠে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি মঞ্চে ওঠেন।
বিএনপির চেয়ারম্যানের আগমনকে ঘিরে ভোর থেকে মাঠে আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের পাশাপাশি রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলা থেকে এসেছেন নেতা-কর্মীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। মঞ্চে উপস্থিত আছেন চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরা। মাঠে জড়ো হয়েছেন চট্টগ্রামসহ আশপাশের জেলা থেকে আসা লাখো নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।
চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি এরশাদ উল্লাহের সভাপতিত্বে সমাবেশে ইতিমধ্যে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্না, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম, নগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশকে বাঁচানোর জন্য ধানের শীষে ভোট দিন। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
গত বৃহস্পতিবার সিলেটে জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন তারেক রহমান। পরদিন শুক্রবার ঢাকায় সমাবেশ করেন তিনি। গতকাল শনিবার রাতে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২০ বছর পর তিনি চট্টগ্রামে আসায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রাম সফরে আসেন ২০০৫ সালের ৬ মে। তখন তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি তাঁকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। ফলে দলের প্রধান হিসেবে এবারই প্রথম চট্টগ্রামে এসেছেন তিনি। ২০০৫ সালে তাঁর ওই সফরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের পক্ষে ভোট চেয়ে আয়োজিত সভায় তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন। সে হিসাবে দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামে বড় কোনো জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।

