দেশে পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন’ গার্মেন্টস কারখানার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টেকসই শিল্পায়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আজ জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক-এর প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে পরিবেশবান্ধব গ্রিন গার্মেন্টস কারখানার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং এ খাতে শিল্প মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-২০২৩ অনুযায়ী শুধুমাত্র কাটিং ও সেলাই কার্যক্রমে নিয়োজিত গার্মেন্টস কারখানাগুলোর জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, পূর্বে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-১৯৯৭ অনুযায়ী গার্মেন্টস ও সোয়েটার শিল্প ‘অরেঞ্জ-বি’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ২০০৭ সালের ১ অক্টোবর জারি করা একটি এসআরও’র মাধ্যমে এসব কারখানাকে পরিবেশগত ছাড়পত্রের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, যা ২০২৩ সালের বিধিমালাতেও বহাল রয়েছে।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেসব কারখানায় ওয়াশিং, ডাইং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়, সেগুলোর জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। এসব ক্ষেত্রে কার্যকর ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) স্থাপন ও পরিচালনা ছাড়া কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় না।
মন্ত্রী জানান, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে শিল্প কারখানায় ‘জিরো লিকুইড ডিসচার্জ (হেডএলডি)’ পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যথাযথ পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, ইটিপি ও জেডএলডি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে গ্রিন কারখানার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এই অগ্রগতি বাংলাদেশকে টেকসই পোশাক শিল্পে বৈশ্বিক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে, যা পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও অবদান রাখছে
■ প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ রুবেল ঠিকানা: ওয়ার্লেস স্কুল মার্কেট, ২য় তলা, খুলশী-৪২০২, চট্টগ্রাম।
E-mail: newsday24.news@gmail.com. Mobile: +880 1306-733802 +88 01883 011888 ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আবেদিত
কপিরাইট © 2026 Newsday24 | Design & Developed by ProcharBD