চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানাধীন সিকদারপাড়া এলাকায় ভুক্তভোগী তার মা এবং ভাই বোনসহ বসবাস করত। ভুক্তভোগীর পাশের বাড়িতে বসবাসকারী আসামী মোক্তার আহমদ (৪৫) ভিকটিমকে প্রায়ই বিভিন্ন প্রকার কুপ্রস্তাব দিত এবং তার প্রস্তাবে রাজী না হলে তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দিত। আসামী এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবার ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছিল না। গত ২৭ অক্টোবর ২০২২ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ ঘটিকায় আসামী মোক্তার তার সহযোগী শিমুল প্রকাশ শ্যামল দেবনাথ ও আনু বেগম এর সহায়তায় ভুক্তভোগীকে তার বাড়ির সামনের রাস্তা হতে অপহরণ করে সিএনজিতে করে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামী মোক্তার এবং শ্যামল ভুক্তভোগীকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
পরদিন ২৮ অক্টোবর ২০২২ইং তারিখ সকালে আসামীরা ভুক্তভোগীকে অসুস্থ্য অবস্থায় বাঁশখালী থানাধীন কাতারিয়া এলাকায় ভিকটিমের আত্মীয়ের বাসার সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানায় ০৩ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০২, তারিখ- ০২ নভেম্বর ২০২২ ইং ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৯(৩)/৩০ এবং বিষয়টি র্যাব-৭, চট্টগ্রামকে অবহিত করে।
এই মামলায় গত ০৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে গণধর্ষণ মামলার ১নং আসামী ধর্ষক মোক্তার হোসেন (৪৫)’কে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম কর্তৃক গ্রেফতার হয় এবং ধর্ষক শ্যামল দেবনাথ’কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। সর্বশেষ ০৯ নভেম্বর ২০২২ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ঘটিকায় ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামী শ্যামল দেবনাথ চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানাধীন দোহাজারী এলাকা থেকে আটক করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় ২নং পলাতক আসামী বলে স্বীকার করে।


