জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের বলিশিব সমূদ্র গ্রামে ২ রা সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং রবিবার আনুমানিক সময় বেলা ১২ টার সময় বাড়ীর জায়গা নিয়ে মাত্রাই ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি নুর আলম পিতা, মোসলিম হাজী ও নুর আলমের ছেলে রানা, মৃতঃ আব্দুস সামাদের মেয়ে জরিনা, মেরিনা ও মর্জিনার সাথে ব্যাপক বাকবিতন্ডা হয়। ওই সময় মাত্রাই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ এবং জালাল উভয় বাড়িতে ছিলেন না।
সন্ধার সময় তারা বাড়িতে ফেরলে তার তিন বোন অত্র আব্দুর রউফ ও জালালকে মাত্রাই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি নুর আলম ও তার ছেলে রানার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহারের কথা জানালে উল্লেখিত আব্দুর রউফ ও জালাল ঐ তারিখে সন্ধা প্রায় সাড়ে ৭ টার সময় আওয়ামীলীগের সভাপতির কাছে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহারের বিষয়টি জানতে গেলে, হঠাৎ অতর্কিত ভাবে নুর আলম ও তার ছেলে বড় ধারালো হাসুয়া, ছোরা ও দেশিয় অস্ত্র দিয়ে দ এলোপাথারি ভাবে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের মাথায় চরমভাবে আঘাত হানে এবং তার ভাই জালালের ডান কাধের উপরে কোপ দেওয়ায় কাধ কেটে যায়, জরিনার মাথায় ও হাতে, মেরিনার মাথায় এবং মর্জিনার নাকের উপরে আঘাত করেন এতে তাহারা সকলেই আহত হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে মাত্রাই ইউনিয়নের বলিশিবসমূদ্র গ্রামের পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের পশ্চিম পার্শ্বে।
এলাকা সূত্রে জানা যায় উক্ত নুর আলম ও তার ছেলে রানা অত্যন্ত বদমেজাজি ও উৎশৃংখল। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসার জন্য স্থানীয় স্থানীয়রা নিকটস্থ কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাত ৯ টা ২২ মিনিটে ভর্তি করা হয়। আব্দুর রউফ কালাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ নং কেবিনে, শিশু ওয়ার্ডে ৩ নং বিছানায় মর্জিনা এবং৭ নং বিছানায় জরিনা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জালাল ও মেরিনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

