ঢাকাবুধবার, ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরিকল্পিত চট্টগ্রাম গড়তে সব সেবা সংস্থাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদন
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, ওয়াসাসহ সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার বেলা ৩টায় প্রধান নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চলমান প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত সচিব কবির আহামদ, যুগ্মপ্রধান মো. হায়দর আলী, কোভিড প্রকল্পের পরিচালক জিল্লুর রহমানসহ চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ, নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মেয়র জানান, নগরবাসীর জীবনমানের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশন প্রতিবছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪৮ কোটি টাকা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ২৪ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকে। অর্থাৎ বছরে প্রায় ৭২ কোটি টাকা শুধুমাত্র শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ভর্তুকি দিতে হয়। চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, ওয়াসাসহ সব সেবা সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সব সেবা সংস্থা যদি একসাথে কাজ করে তবে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, টেকসই ও পরিকল্পিত শহরে রূপান্তর করা সম্ভব।

সভায় মেয়র জানান, নগরীতে ১০ লাখ গাছ রোপণ, মেরিন ড্রাইভ সড়কের সৌন্দর্য বর্ধন, গ্রিন পার্ক স্থাপন এবং মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, `আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে আমি প্রতিটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে গিয়ে রোল কল করতাম । সবগুলো সংস্থাকে নিয়ে কাজ করায় এ বছর জলাবদ্ধতা ৫০ শতাংশ কমে গেছে। চলমান কাজগুলো শেষ হলে আগামী বছর জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় অগ্রগতি দেখা যাবে।

তবে সিটি কর্পোরেশনের আবর্জনা পরিবহন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের জন্য ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন থাকলেও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তা ২৯৮ কোটিতে নেমে এসেছে, যার মধ্যে ১৬০ কোটি টাকা ৫ শতাংশ সুদে ঋণ হিসেবে নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে আমাকে। আমরা একটি সেবা খাতনির্ভর সংস্থা, এখানে ঋণের বোঝা অযৌক্তিক। আধুনিক যন্ত্রপাতি কিনতে পারলে নগরীর জলাবদ্ধতা কমে আসবে। নগরের রাস্তাঘাটের ক্ষতি করছে বন্দরের ভারী যানবাহন তাই বন্দর সচল রাখার স্বার্থে বন্দরকে যৌক্তিক ট্যাক্স দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামের মাঠ উন্নয়ন, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, সৌন্দর্য বর্ধন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছি। কর্ণফলি নদীর তীরে “ওয়ান সিটি টু টাউন” প্রকল্পের আওতায় সবুজায়ন ও পার্ক করার পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।