শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

জাইকার শত কোটি টাকার অনুদানে আধুনিক হচ্ছে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। এ অর্থে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৫০টির বেশি আধুনিক যানবাহন, ল্যান্ডফিল পরিচালনার যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) মহানগরের টাইগারপাসে নগর ভবনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে জাইকার প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

চসিক সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত অনুদান প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে জাপান সরকার। এ জন্য আগামী ডিসেম্বর মাসে জাইকার সদর দপ্তর থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল চট্টগ্রামে আসবে। তাদের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৫০টির বেশি আধুনিক যানবাহন এবং ল্যান্ডফিল পরিচালনার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নগরে একটি নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণ করা হবে।

নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ফতেয়াবাদ নন্দীরহাট এলাকায় ২৮ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে চসিক। দুটি প্লটে এই জমির মধ্যে একটিতে ১৮ একর এবং অন্যটিতে ১০ একর জমি রয়েছে।

জাইকা বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হিদেকি ওসাওয়া জানান, নতুন স্যানিটারি ল্যান্ডফিল নির্মাণের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) দ্রুত প্রস্তুতের লক্ষ্যে নকশা ও প্রাক্কলন (বিওকিউ) তৈরিতে জাইকার কারিগরি সহায়তা দলের বিশেষজ্ঞরা চসিকের সঙ্গে কাজ করছেন।

বৈঠকে জাইকার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে চসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। নতুন ল্যান্ডফিল নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ল্যান্ডফিল সাইটগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নেও জাইকার কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, জাইকা বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুল্লাহ বিন হোসেন এবং জাইকার বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য তাকাতোশি আরাই, হিরোফুমি মিয়োশি, সাতোশি হিগাশিনাকাগাওয়া ও প্রকৌশলী গোলাম সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ