শিরোনাম
ক সমাবেশে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কুশল বিনিময় ও করমর্দনের দৃশ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তার কাজের প্রশংসাও পান বলে জানা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা পেলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক

জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে উঁচুমানের গবেষণার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

দুই জেলায় নতুন ইপিজেড, তিন জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে সরকার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে রাঙামাটিতে হাবীব আজমের বৃক্ষরোপণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

‘ভাই বন্ধু’র ঈদ পরবর্তী মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

আব্দুল কাদের রাজু (বিশেষ প্রতিনিধি)
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম ওয়াসার একটি অভিজাত রেস্তোরায় শেষ হল ‘ভাই বন্ধু’র ঈদ আড্ডা ও মিলন মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠান।

এখানে ৮৫ ব্যাচ থেকে ৯৯ ব্যাচ পর্যন্ত সবাই এক পরম আত্মার আত্মীয়। ভাই বন্ধু’তে বয়সের বিবেচনায় কোন সিনিয়র নেই, নেই কোন জুনিয়র। এখানে সবাই মনের দিক দিয়ে সমবয়সী, যদিও সম্ভবত আমিই সর্বকনিষ্ঠ কারণ আমি ৯৭ এর ব্যাচের ছিলাম।

আবার কারণবশত ৯৯ হয়ে গেলাম। এই আত্মার হাড়িতে উকিল, জজ, ব্যারিস্টার, ডাক্তার, পুলিশ, র‍্যাব, শিক্ষক, ব্যবসায়ী সহ কম বেশী সব শ্রেনীর মানুষ আছে। এর মাঝে শুধু নেই কারো কোনো আত্মঅহংকার। এখানে আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে। মজার বিষয় হচ্ছে এখানে কোন শিল্পী কন্ট্রাক্ট করে আনা লাগেনা। প্রায় বন্ধুরাই গান গাইতে জানে। এমনকি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু’র সহযোগী শিল্পীও এখানে আছে। ওই যে বললাম, ভাই বন্ধুর রাজ্যে আমরা সবাই রাজা।

 

সবচেয়ে বেশী ধন্যবাদ জানাই প্রিয় বন্ধু আজম ভাইকে। যিনি সবাইকে এক হাড়িতে করতে উনার মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগে। সবাই উনাকে অনেক সম্মান করে। আমিও উনাদেরকে নিয়ে গর্ব বোধ করি৷ আমি এখানে আজম ভাইয়ের মাধ্যমেই যুক্ত হই। যতদূর মনে পড়ে সেটি ২০২২ সালে। এরকম ভাই বন্ধুর আড্ডা, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব এ যুগে খুবই কমই হয়৷ সবাই আজম ভাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে মুহুর্তেই এক হয়ে যায়। শুরু হয় একেক বন্ধুর পরে এক এক বন্ধুর অসাধারণ গান। ক্ষনিকের মধ্যেই মনমুগ্ধকর পরিবেশ তৈরি হয়। তখন সবাই হাততালি ও নাচানাচির মধ্য দিয়ে শিল্পী বন্ধুদেরকে উৎসাহিত করে। তখন এক অসাধারণ অনুভূতি সবাই অনুভব করে।

বছর ঘুরে অন্য এক বছরে আবারো কথা হবে, হবে আড্ডা, হবে নাচ গান সহ আত্মার সকল লেনদেন। জমকালো সেই মাহিন্দ্র ক্ষণের জন্য ভাই বন্ধুর সবাইকে উপরওয়ালা ভালো রাখবে, সুস্থ রাখবে, এই প্রত্যাশা কামনা থাকলো।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ