বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নানান উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক বলেছেন, নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ছয় মাসের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আজ এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক লোক বিদেশে কর্মসংস্থানে রয়েছে। এসব প্রবাসীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে নতুন নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীদের সেবার পরিধি বাড়ানো এবং প্রতারণা বন্ধে কঠোর নজরদারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনেক কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করা সম্ভব নয়। কারণ নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, একাধিক ফলোআপ বৈঠক, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন হয়। ফলে ছয় মাসে গৃহীত অনেক উদ্যোগের সুফল এখনো দৃশ্যমান না হলেও আগামী দিনে এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সকল দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য কাজ করি, সেখানে বাইল্যাটারাল মিটিং, ফলোআপ মিটিং, এমইউসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য সময় লাগে। সেই দিক থেকে হয়তো অনেক কাজ ছয় মাসে দৃশ্যমান হয়নি। কিন্তু সামনে এগুলোর সুফল দেখা যাবে।’

ছয় মাসে সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন মো: নুরুল হক।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে একক দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। আগামী মাসের শুরু থেকেই সেখানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া শুরু হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়া বাংলাদেশের কর্মপ্রত্যাশী মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা জটিলতা ছিল। সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পথ তৈরি হয়েছে।

দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়েও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে দুবাইয়ে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে গিয়েছিল। তবে নতুন করে সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই দুবাই ট্যাক্সি নামের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬ হাজার চালক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালকের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সংখ্যার বিচারে বেশি কর্মী বিদেশে পাঠানো নয়, বরং দক্ষতা অনুযায়ী উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এতে কর্মীরা যেমন ভালো আয় করতে পারবেন, তেমনি দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণও বাড়বে।

কাতারের সঙ্গেও বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রিক্যাল, এসি ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কারিগরি খাতে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার।

তিনি জানান, কাতারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী তৈরি করা এবং সেখান থেকে কর্মী নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

মো: নুরুল হক বলেন, দক্ষ কর্মী তৈরির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশি শ্রমবাজারে এখন আগের মতো অদক্ষ কর্মীর চাহিদা নেই। ফলে যে দেশের যে ধরনের কর্মীর প্রয়োজন, সেই চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী পাঠানোই হবে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সৌদি আরবের শ্রমবাজার নিয়েও আশা প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরে সৌদি আরবে একাধিক বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন রয়েছে। বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান ও প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সেখানে বিপুলসংখ্যক কর্মীর প্রয়োজন হবে। নির্মাণ, পরিবহন, সেবা, পর্যটন, প্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের যুবরাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর সফর অনুষ্ঠিত হলে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বাহরাইনের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান মো: নুরুল হক । তিনি বলেন, বাহরাইনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়েছে এবং একটি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে বাজারটি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও নতুন শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের যাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতা ও আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলে সেখানে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে থাইল্যান্ডে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর্মীর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রবাসীদের জন্য সরকারের সবচেয়ে আবেগঘন ও মানবিক উদ্যোগগুলোর একটি হলো বিদেশে মারা যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মন্ত্রণালয়ে যেসব আবেদন এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশে কর্মরত একজন বাংলাদেশি মারা গেলে তার পরিবার যেন আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অসহায় হয়ে না পড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিদেশ থেকে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার পর পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে যেখানে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা ছিল, দায়িত্ব নেওয়ার পর সেখানে আরও দুটি যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত ও সম্মানের সঙ্গে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার জন্য ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সরকারের অন্যতম বড় উদ্যোগ হিসেবে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর কথা জানান মো: নুরুল হক।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং ও পেমেন্ট গেটওয়ের সঙ্গে যুক্ত করে আগামী মাসেই প্রবাসীদের কার্ড দেওয়া হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা ১১টি বিশেষ সেবায় অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এতে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় ও হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, এতে কিছুটা হলেও প্রবাসীদের মর্যাদা আগের চেয়ে সমুন্নত থাকবে। প্রবাসী কার্ডের সঙ্গে ডিজিটাল অ্যাপ যুক্ত থাকার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মাধ্যমে কোন প্রবাসী কোন দেশে অবস্থান করছেন এবং তিনি দূতাবাস বা মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো সেবার জন্য আবেদন করেছেন কি না, তা অনুসরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, একজন প্রবাসী সেবা চাওয়ার পর সেটি পেয়েছেন কি না, তার একটি আপডেটও ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোনো আবেদন দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর সেবা নিয়েও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের প্রতি সরকারের সমান দায়িত্ব রয়েছে। তার পেশা, আয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে প্রয়োজনের সময় তাকে সেবা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকার প্রচলিত কূটনীতির পাশাপাশি ‘কালচারাল ডিপ্লোমেসি’ ও ‘লেবার মাইগ্রেশন ডিপ্লোমেসি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা বন্ধে ডিমান্ড লেটার বা কর্মী চাহিদাপত্র যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোন কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে চাচ্ছে, সেই কোম্পানি বাস্তবে আছে কি না, সেখানে কর্মপরিবেশ কেমন এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছেÑএসব বিষয় সরেজমিন পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমবাজারের নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বা সিন্ডিকেট যাতে প্রবাসী কর্মীদের ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মো: নুরুল হক বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা, দূতাবাসের জবাবদিহিতা এবং প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান আরও বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব ফলাফল শিগগিরই দৃশ্যমান হবে। নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আরও অগ্রগতি অর্জিত হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ