শৈলী সাহিত্য উৎসবের উদ্বোধনকালে কবি খুরশীদ আনোয়ার বলেছেন, লেখালেখির জগতে টিকে থাকতে এবং ভালো মানের লেখক হতে অবশ্যই লেগে থাকতে হবে, প্রচুর পড়তে হবে। এটি শুধুমাত্র প্রতিভা নয়, বরং কঠোর সাধনা ও নিষ্ঠার বিষয়। এর জন্য থাকতে হয় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি।
গত ২ মে চট্টগ্রাম একাডেমি ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে কবি রাশেদ রউফের সভাপতিত্বে তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম নানাভাবে উজ্জীবিত। সাহিত্যে অনুষ্ঠানগুলো উদ্দীপনামূলক। অনুষ্ঠানে তাঁর রহের শায়েরি গ্রন্থের ইংরেজি ভার্সন ‘লিরিকস অব সোল’ প্রকাশিত হয়। বাচিকশিল্পী আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় ১৫টি বইয়ের আলোচনা করেন ১৫ জন লেখক।
এর মধ্যে প্রফেসর রীতা দত্ত আলোচনা করেন লুনা দাশগুপ্তার কবিতার বই ‘জোনাক জীবন’, তহুরীন সবুর ডালিয়া আলোচনা করেন লিপি বড়ুয়ার কিশোর গল্প ‘শিউলি ফোঁটা ভোর’, মর্জিনা আখতার আলোচনা করেন সৈয়দা সেলিমা আক্তার সম্পাদিত জিনাত আজম স্মারকগ্রন্থ, বিপুল বড়ুয়া আলোচনা করেন মুহাম্মদ সিরাজুল হকের প্রবন্ধ প্রাচ্যের রানী চট্টগ্রাম, দীপক বড়ুয়া আলোচনা করেন নাজনীন লাকীর প্রবন্ধ আত্ম–উপলব্ধি ও সামাজিক সংকট, অরুণ শীল আলোচনা করেন নাসের রহমানের কিশোর গল্প তিন্নি মিন্নি, বিচিত্রা সেন আলোচনা করেন ছন্দা চক্রবর্তীর প্রবন্ধ শিক্ষা সংস্কৃতি ও সমাজ, কাঞ্চনা চক্রবর্তী আলোচনা করেন এম নাসিরুল হকের উপন্যাস যুদ্ধদিনের প্রেম, আবুল কালাম বেলাল আলোচনা করেন কাসেম আলী রানার কিশোর উপন্যাস রোল নম্বর সাত, জসিম উদ্দিন খান আলোচনা করেন জিএম জহির উদ্দীনএর কবিতার বই – এক মুঠো প্রেম, ইফতেখার মারুফ আলোচনা করেন শিউলী নাথের কিশোর গল্প আমাদের নেই কোনো ভয়, অমিত বড়ুয়া আলোচনা করেন এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরার কিশোর গল্প সবুজ দেশের রাজকন্যা, নিজামুল ইসলাম সরফী আলোচনা করেন নেছার আহমদ সম্পাদিত দীপালী ভট্টাচার্য স্মারকগ্রন্থ, আজিজ রাহমান আলোচনা করেন নিগার সুলতানার কবিতার বই মনের সাতকাহন, ইসমাইল জসীম আলোচনা করেন মোয়াজ্জেম হোসেন– সাতকানিয়া–লোহাগাড়া মনীষা।
